ঢাকা

শিশু রামিসা হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন, যুক্তিতর্কের পথে মামলা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬ ইং
ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলার মূল আসামি সোহেল রানা ও ভুক্তভোগী শিশু রামিসা/ফাইল ছবি ছবির ক্যাপশন: ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলার মূল আসামি সোহেল রানা ও ভুক্তভোগী শিশু রামিসা/ফাইল ছবি

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, তদন্তকালে জব্দ করা কাটা গ্রিলসহ বিভিন্ন আলামত আদালতে উপস্থাপন করা হয়। সাক্ষীদের মাধ্যমে এসব আলামত শনাক্ত করে মামলার নথিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সাক্ষ্যগ্রহণের সময় তদন্তসংশ্লিষ্ট এক পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আলামত সংগ্রহের বিবরণ দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি ঘটনার বিভিন্ন দিক আদালতের সামনে তুলে ধরেন।

মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন আদালতে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষীদের মধ্যে নিহত শিশুর বাবা, মা, বড় বোন, প্রতিবেশী এবং স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ছিলেন। শিশু সাক্ষী হওয়ায় বড় বোনের সাক্ষ্য বিশেষ ব্যবস্থায় ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়।

এর আগে সোমবার আদালত মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দেন। পরদিন থেকেই সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে মিরপুর-১১ এলাকার একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ডিএনএ পরীক্ষা, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং অন্যান্য ফরেনসিক তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ায় বুধবার আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় সাফাই বক্তব্য গ্রহণের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর মামলার যুক্তিতর্ক পর্ব শুরু হতে পারে।

কমেন্ট বক্স